Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd ডিসেম্বর ২০২০

পরিচিতি

বিস্ফোরক পরিদপ্তর (Department of Explosives) বিস্ফোরক, পেট্রোলিয়াম, প্রজ্বলনীয় পদার্থ, উচ্চচাপ সম্পন্ন গ্যাস পাইপ লাইন, সিলিন্ডার, এবং গ্যাসাধার সংক্রান্ত সৃষ্ট ক্ষতিকর ঘটনা ও প্রভাব প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সৃজিত জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সংযুক্ত একটি দপ্তর। এ দপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঢাকাসহ ইহার আঞ্চলিক কার্যালয়সমূহ দেশের বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট এবং বরিশালে আছে। বিস্ফোরক পরিদর্শক প্রতিটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান। এ দপ্তর বিস্ফোরক অ্যাক্ট, ১৮৮৪; পেট্রোলিয়াম অ্যাক্ট, ২০১৬ এবং উক্ত ০২ টি অ্যাক্টের অধীন প্রণীত ৯টি বিধিমালার প্রয়োগ ও প্রশাসনের দায়িত্বে নিয়োজিত।

১. বিস্ফোরক  আইন, ১৮৮৪ (১৯৮৭ পর্যন্ত সংশোধিত )                                                                          

২. বিস্ফোরক  বিধিমালা, ২০০৪                                                                                 

৩. গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা, ১৯৯১ (২০০৩ পর্যন্ত সংশোধিত)      

৪. গ্যাসাধার বিধিমালা, ১৯৯৫ (২০০৪ পর্যন্ত সংশোধিত)

৫. তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বিধিমালা, ২০০৪ (২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত)

৬. সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) বিধিমালা, ২০০৫

৭. এমোনিয়াম নাইট্রেট বিধিমালা, ২০১৮                                                               

৮. পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬                     

৯. পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০১৮                                                                                                                      

১০. কার্বাইড বিধিমালা, ২০০৩                                                   

১১. প্রাকৃতিক গ্যাস নিরাপত্তা বিধিমালা, ১৯৯১ (২০০৩ পর্যন্ত সংশোধিত)                 

বিস্ফোরক, সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), পেট্রোলিয়ামসহ প্রজ্বলনীয় তরল পদার্থ, ক্যালসিয়াম কার্বাইডসহ প্রজ্বলনীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ ইত্যাদি বিপজ্জনক পদার্থ উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, পরিশোধন, আমদানি, মজুদ, পরিবহণ/ সঞ্চালন ও ব্যবহারে জনজীবন এবং জাতীয় সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণই বিস্ফোরক পরিদপ্তরের উদ্দেশ্য।

মুল কার্যক্রম:

লাইসেন্স প্রদান:

* বিস্ফোরক উৎপাদন প্লান্ট, সিলিন্ডার/গ্যাসাধারে গ্যাস ভর্তিকরণ প্লান্ট, সিলিন্ডার/গ্যাসাধার ও উহার আনুসঙ্গিক সরঞ্জাম নির্মাণ প্লান্ট, সিলিন্ডার পরীক্ষা কেন্দ্র, গ্যাস মজুদ প্রাঙ্গণ, বিস্ফোরক ম্যাগাজিন, পেট্রোলিয়াম শোধনাগার, পেট্রোলিয়াম মজুদ স্থাপনা, পেট্রোলিয়াম মজুদাগার, পেট্রোলিয়াম পরিবহন যান/অয়েল ট্যাঙ্কার, সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন, অটোগ্যাস রিফুয়েলিং স্টেশন এবং বিপজ্জনক পদার্থ হ্যান্ডলিং প্রাঙ্গণ পরিদর্শন এবং অনুমোদন/লাইসেন্স প্রদান।

* গ্যাস ফিল্ড ও খনিতে ব্যবহার্য বিস্ফোরক আমদানি, মজুদ ও পরিবহনের লাইসেন্স।

* শিল্প কারখানায় উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে পেট্রোলিয়াম ও বিভিন্ন প্রজ্বলনীয় তরল রাসায়নিক পদার্থ আমদানি, মজুদের লাইসেন্স।

* এলপিজি সহ বিভিন্ন গ্যাস সার্ভিসের সিলিন্ডার আমদানির লাইসেন্স।

* এলপিজি সিলিন্ডার মজুদাগার, এলপিজি পরিবহনযানের লাইসেন্স।

* বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের শ্বাসকার্যে ব্যবহারের জন্য সেন্ট্রাল লাইন স্থাপন এবং গ্যাসাধারে মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুদের লাইসেন্স।

অনুমোদন:

* সিলিন্ডার নির্মাণের অনুমোদন।

* উচ্চচাপ গ্যাস পাইপলাইনে গ্যাস পরিবহনের অনুমোদন।

* বিস্ফোরক ম্যাগাজিন, ধারনপাত্র, পেট্রোলিয়াম পরিবহন যান/ট্যাঙ্কার, গ্যাস সিলিন্ডার/গ্যাসাধার ইত্যাদির ধরন (type) অনুমোদন।

* অনুপযোগী বা বিপজ্জনক বিস্ফোরক ইত্যাদি নিষ্ক্রিয়করণ/বিনষ্টকরণ এর পদ্ধতি/ প্রক্রিয়া অনুমোদন।

পরীক্ষণ:

* ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও ১৮৭৮ সালের আর্মস অ্যাক্টের অধীন মামলার বোমাজাতীয় আলামত পরীক্ষণ ও রিপোর্ট প্রদান।

* উচ্চচাপ গ্যাস পাইপ লাইনের চাপ সহন ক্ষমতা ও নিচ্ছিদ্রতা পরীক্ষণ।

* শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ট্যাংকে গ্যাস মুক্ত পরীক্ষণ ও সনদ প্রদান।

অনাপত্তি:

* জেলা প্রশাসক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে বিভিন্ন বিপজ্জনক পদার্থ যেমন: সালফার, ফসফরাস, পটাশিয়াম ক্লোরেট, পটাশিয়াম নাইট্রেট এর আমদানির অনাপত্তি প্রদান।

* এমোনিয়াম নাইট্রেট, ক্যালসিয়াম কার্বাইড ইত্যাদি আমদানির অনাপত্তি প্রদান।


Share with :

Facebook Facebook